You are currently viewing ব্রেইন ক্যানসারের লক্ষণ গুলো কি কি?

ব্রেইন ক্যানসারের লক্ষণ গুলো কি কি?

ব্রেইন ক্যানসারের লক্ষণ  : ক্যান্সার একটি মরণ ব্যাধি রোগ। আর এই রোগে আক্রান্ত হলে আমাদের মৃত্যেু প্রায় শতভাগ। এবং রোগের কথা শুনলে আমাদের মনে একধরনের ভয়ভীতি কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় মানুষ। এই বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে মধ্যে ব্রেইন ক্যান্সার হলো খুব ক্রিটিক্যাল ক্যান্সার। আর কোন মানুষ যদি ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তার সুস্থ হওয়ার সম্ভবানা খুব কম। আর কেউ যদি ব্রেইন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তার মৃত্যেু অতি কাছে বলেই ধরে নেওয়া যায়।

শুরুর দিকে যদি কেউ সচেতন থাকে তাহলে হয়তো মোটামুটি সুস্থ না হলেও কিছু দিন মানুষ বেচে থাকতে পারে। ব্রেইন কেউ আক্রান্ত হলে প্রথম দিকে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় । আর এই লক্ষণ প্রকাশের পর আর বেশি দেরি না করে ডক্তারের পরামর্শ নিলে তাহলে মৃত্যেুর ঝুকি অনেক আংশে কমিয়ে আনা যায়। সত্যি কথা বলতে আমরা কেউই চাই না আমদের কারো শরীরে এমন লক্ষণ গুলো প্রকাশ পাক।

তারপরও আমাদের সচেতন থাকতে হবে। আমাদের প্রত্যেকেইর জানা উচিৎ ব্রইন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে যে সকল উপসর্গ গুলো দেখা দেয় এবং যা দেখে আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারবো যে আমাদের শরীরে মরণঘাতি ক্যান্সারের জীবানু প্রবেশ করেছে। আর একটু সচেতন হলে হয়তো আমরা আমদের কাছের মানুষকে যাতে না হারাতে হয়। আর সচেতন হলে এই ভয়ংকর মরণব্যধি রোগ থেকে প্রিজনের জীবন রক্ষা করতে পারবো।


ব্রেইন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে যে লক্ষণ গুলো আমাদের দেহে যে ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলোঃ-

 হঠাৎ মৃগী রোগ হলে।
 কোন মানুষের হঠাৎ করে মানসিক অবস্থার পরির্বতন হলে। যেমনঃ অতিরিক্ত ঘুম, স্মৃতি শক্তি হ্রাস পাওয়া, সব বিষয়ে মনোযোগ না দেওয়া।
 হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা।
 মুখের কথা হঠাৎ আটকে যাওয়া অথাৎ ঠিকভাবে কথা বলতে না পারা।
 আক্রান্ত ব্যক্তির আচার-আচরণ সব কিছুই হঠাৎ করে পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
 সঠিক ভাবে চলাফেরা করতে না পারা।
 সব সময় বমি বমি ভাব হওয়া।
 রোগীর জ্বর হওয়া।
 আক্রান্ত ব্যক্তির প্রায় সব সময় মাথার ব্যথা থাকবে।

  •  ব্রেইন ক্যানসারের লক্ষণ


জ্বর ‍শুধু ব্রেইন ক্যন্সারে আক্রান্ত হলেই হবে এমন না আরও আনেক কারণেই হতে পারে। আর মাথা ব্যথা হয় অনেক সময় যেসকল রোগীর মাইগ্রেনের সমস্যা আছে তাদের মাথা ব্যথা হতে পারে। তার পরও বলি উপরের উপসর্গ যদি কারও দেখা দেয় তাদের উচিৎ বেশি দেরি না করে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা এবং রোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া। শুরু থেকে কেউ চিকিৎসা নিলে হয়তে রোগী ভালো হয়ে যায়।

Leave a Reply